কর্মক্ষেত্রে নারীদের কেন নারীদেরকে প্রয়োজন

কর্মক্ষেত্রে নারীদের কেন নারীদেরই প্রয়োজন

ক্যারিয়ার নিয়ে একটি পুরনো ধারণা বহুদিন ধরে চালু আছে—
নারীরা কর্মজীবনে এগোতে চাইলে প্রভাবশালী পুরুষদের network-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। কারণ নেতৃত্ব, সুযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলো ঐতিহাসিকভাবে পুরুষদের দখলে ছিল।

কিন্তু নতুন একটি গবেষণা এই ধারণার ভিন্ন একটি দিক সামনে এনেছে।

Wharton School-এর অধ্যাপক Tiantian Yang-এর গবেষণা বলছে, অনেক সময় একজন নারীর সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ান আরেকজন নারী। বিশেষ করে remote work ও online training environment-এ এই বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী শুধুমাত্র নারীদের নিয়ে গঠিত online training group-এ অংশ নিয়েছেন, তারা:

  • সময়মতো training শেষ করেছেন বেশি
  • professional certification অর্জন করেছেন বেশি
  • এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিলেন
    মিশ্র (পুরুষ-নারী) group-এর নারীদের তুলনায়।

নিরাপদ পরিবেশ মানুষকে বদলে দেয়

গবেষকরা বলছেন, এর মূল কারণ ছিল psychological safety।

অর্থাৎ, শুধুমাত্র নারীদের group-এ অংশ নেওয়া নারীরা নিজেদের বেশি নিরাপদ অনুভব করেছেন। ফলে তারা:

  • ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
  • একে অপরকে উৎসাহ দিয়েছেন
  • চাকরির তথ্য ও resource বিনিময় করেছেন
  • এবং emotional support তৈরি করেছেন।

গবেষণাটি gender homophily-এর কথা বলেছে। সহজ ভাষায়, মানুষ যখন নিজের মতো অভিজ্ঞতার মানুষের মধ্যে থাকে, তখন দ্রুত trust তৈরি হয়।

বিশেষ করে remote environment-এ, যেখানে সবাই নতুন এবং সম্পর্কের ভিত্তি আগে থেকে তৈরি থাকে না।

গবেষণার পেছনের তথ্য

গবেষণাটি ১৮ মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি online career training platform-এ পরিচালিত হয়। প্রায় ৪,৬০০ নারী-পুরুষ অংশগ্রহণকারীকে randomভাবে same-gender এবং mixed-gender group-এ ভাগ করা হয়।

ফলাফল ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য:

  • women-only group-এর প্রায় ৭৬% নারী সময়মতো training শেষ করেছেন
  • mixed group-এ এই হার ছিল ৬৭%

এছাড়া:

  • women-only group-এর ১৫% professional certification অর্জন করেছেন
  • mixed group-এ এই হার ছিল মাত্র ৮%

চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় পার্থক্য দেখা গেছে:

  • same-gender group-এর ২৪% নারী চাকরি পেয়েছেন
  • mixed group-এ ছিল মাত্র ৯%।

অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে same-gender grouping তেমন বাড়তি সুবিধা দেয়নি।

নারীরা একে অপরকে কীভাবে সাহায্য করেছেন?

গবেষণার সবচেয়ে interesting অংশ ছিল participants-দের message analysis।

গবেষকরা দেখেছেন, women-only group-এর নারীরা খুব দ্রুত ব্যক্তিগত সংযোগ তৈরি করেছেন।

তারা নিজেদের পরিচয় নিয়ে কথা বলেছেন—

  • মা হিসেবে
  • স্ত্রী হিসেবে
  • caregiver হিসেবে
  • career restart করা মানুষ হিসেবে

কেউ লিখেছেন:

“আমি সাত বছর ধরে stay-at-home mom ছিলাম। অন্যদের জন্য এত কিছু করতে করতে নিজের জন্য কিছু করা ভুলে গিয়েছিলাম।”

আরেকজন লিখেছেন:

“স্বামীকে হারানোর পর মনে হচ্ছিল জীবনের একটি অংশ হারিয়ে ফেলেছি। এখন আবার medical field-এ ফিরে যেতে চাই।”

এই ধরনের openness mixed-gender group-এ অনেক কম দেখা গেছে।

শুধু emotional support না, নারীরা একে অপরকে:

  • study habit নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন
  • exam preparation group তৈরি করেছেন
  • internship ও job lead শেয়ার করেছেন।

অর্থাৎ relationship শুধু friendly ছিল না; practical support-ও ছিল।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে নারীদের journey এখনো সহজ নয়।

অনেক নারীকে একই সাথে সামলাতে হয়:

  • পরিবার
  • সন্তান
  • সামাজিক প্রত্যাশা
  • workplace pressure
  • এবং অনেক ক্ষেত্রে gender bias

অনেক নারী technically চাকরিতে থাকলেও emotionally isolated অনুভব করেন।

বিশেষ করে:

  • corporate office
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  • healthcare
  • উদ্যোক্তা খাত
  • development sector

এসব জায়গায় mentorship ও supportive female network অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

কারণ career শুধু skill-এর বিষয় না।
Confidence-এরও বিষয়।
Belonging-এরও বিষয়।

“নারীরা নারীদের support করেন না”—এই ধারণা কতটা সত্য?

সমাজে প্রায়ই একটি stereotype শোনা যায়—
নারীরা নাকি একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী।

কিন্তু এই গবেষণা উল্টো চিত্র দেখিয়েছে।

গবেষকরা দেখেছেন, supportive environment তৈরি হলে নারীরা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে একে অপরকে সাহায্য করেন।

সমস্যা অনেক সময় মানুষের মধ্যে না।
সমস্যা হয় environment-এ।

যেখানে:

  • trust কম
  • competition বেশি
  • এবং সবাই নিজেকে prove করার চাপে থাকে

সেখানে collaboration কমে যায়।

ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র কেমন হওয়া উচিত?

গবেষণাটি business leader-দের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।

বিশেষ করে remote work environment-এ শুধু training program তৈরি করলেই হবে না। এমন পরিবেশও তৈরি করতে হবে, যেখানে মানুষ:

  • নিরাপদ অনুভব করবে
  • কথা বলতে পারবে
  • support চাইতে পারবে
  • এবং authentic থাকতে পারবে।

কারণ মানুষ সবচেয়ে ভালো perform করে তখনই,
যখন সে নিজেকে psychologically safe অনুভব করে।


Career success একা অর্জনের গল্প না।

অনেক সময় একজন মানুষ সামনে এগিয়ে যেতে পারেন শুধু এজন্য যে—
কেউ একজন তাকে support করেছে, বিশ্বাস করেছে, পাশে থেকেছে।

আর কর্মক্ষেত্রে অনেক নারীর জন্য,
সেই মানুষটি প্রায়ই আরেকজন নারী।


এধরনের আরো চমৎকার লেখা পড়তে আপনার ইমেইল সাবমিট করুন-
লেখা প্রকাশের সাথে সাথেই আপনার কাছে তা পাঠিয়ে দেবো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Are you human? Please solve:Captcha


Scroll to Top