বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সব তথ্য

0
177
ভর্তি

ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স ডেস্ক : ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও জগন্নাথসহ দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও সংবাদ প্রকাশ  হবে এখানে। আপডেট থাকতে পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

এক নজরে দেখে নিন লুকিয়ে রাখুন

এবারও জিপিএর ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষেও এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতেই শিক্ষা ভর্তি নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আবেদন ফরম বিতরণ চলবে ৮ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত।

শুক্রবার (৫ মার্চ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী আগামী ২৮ জুলাই থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে।। অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে। এছাড়া ১ম বর্ষ প্রফেশনাল কোর্সের অনলাইন আবেদন ফরম বিতরণ চলবে ২৩ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত। আর প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস শুরু হবে ১২ আগস্ট থেকে।

সভায় করোনাকালীন ১০ মাসের সেশনজট কমিয়ে আনার বিষয়ে দ্রুত বিশেষ একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহীত হয়। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) পাওয়া যাবে।

৫ মার্চ ২০২১, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস


ঢাবি ভর্তি: আবেদনকারীদের জরুরি ৭ নির্দেশনা

আগামী সোমবার (৮ মার্চ) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির নিজস্ব ওয়েবসাইটে গিয়ে এই আবেদন করা যাবে। আর আবেদন চলবে আগামী ৩১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভর্তির পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদনকারীদের জন্য ৭টি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে—

সাধারণ তথ্য (সকল আবেদনের জন্য)
১) ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের তথ্য, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর, পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (ঐচ্ছিক)- এর প্রয়োজন পড়বে।

২) শিক্ষার্থীকে ৮টি বিভাগীয় শহরের যেকোন ১টিকে তার ভর্তি কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।

৩) স্ক্যান করা একটি ছবির (Format: jpg, Size: 30 – 200KB, Width: 360-540px, Height: 540-720px) প্রয়োজন পড়বে।

৪) এসএমএস করার জন্য শিক্ষার্থীর কাজে টেলিটক, রবি, এয়ারটেল অথবা বাংলালিংক অপারেটর এর একটি মোবাইল নম্বর থাকতে হবে।

৫) ভর্তির আবেদন ফি তাৎক্ষনিক অনলাইনে (VISA /Mastercard/ American Express ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং) বা চারটি রাস্ট্রায়ত্ব ব্যাংকে (সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জমা প্রদান করা যাবে।

সমতা নিরূপনের জন্য
১) এ-লেভেল/ও-লেভেল/সমমান বিদেশী পাঠ্যক্রমে বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমতা নিরূপনের জন্য admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে “সমমান আবেদন” বা “Equivalence Application” মেনুতে আবেদন করে তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

২) সমতা নিরূপনের পর প্রাপ্ত “Equivalence ID” ব্যবহার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মত তারা একই ওয়েবসাইটে লগইন করে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

৫ মার্চ ২০২১, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস


বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল ও মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেলে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চলতি মাসের ২৬ তারিখ থেকে শুরু করে জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করা হবে এসব ভর্তি পরীক্ষা।

আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় এসব তারিখ ঠিক করা হয়েছে। পরিষদের সভাপতি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য মোহাম্মদ রফিকুল আলমসহ বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে ২১, ২২, ২৭ ও ২৮ মে এবং ৫ জুন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরীক্ষা হবে ১০ জুন।

প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভিত্তিতে অনুষ্ঠেয় তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট, চুয়েট ও কুয়েট) পরীক্ষা হবে ১২ জুন। গুচ্ছ ভিত্তিতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা হবে ২৯ মে।

আর প্রথমবারের মতো ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে তিন দিনে। এর মধ্যে মানবিক বিভাগের জন্য ১৯ জুন, বাণিজ্যের ২৬ জুন এবং বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা হবে ৩ অথবা ১০ জুলাই।

এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ)। উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা (বাণিজ্য) বিভাগের জন্য আলাদা তিনটি পরীক্ষা হবে। বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আগের মতো আলাদা পরীক্ষা হবে না।

এ ছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হবে ৬ থেকে ১৮ জুন এবং ২০ জুন।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে ৪ থেকে ৫ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ জুন, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ জুন এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের ভর্তি পরীক্ষা হবে ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি।

আর মেডিকেলের এমবিবিএসের ভর্তি পরীক্ষা হবে ২ এপ্রিল এবং ডেন্টালের পরীক্ষা হবে ৩০ এপ্রিল।

তবে রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো


২১ মে থেকে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, অনলাইনে আবেদন শুরু ৮ মার্চ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা; আগামী ২১ মে থেকে শুরুর প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস্ কমিটি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৮ মার্চ থেকে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন নেওয়া শুরু হবে এবং ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা চলবে।

আজ মঙ্গবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির জরুরি সভায় এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

এবছর মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্য, ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর কোনো নম্বর থাকবে না। ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর হবে ন্যূনতম ৪০%।

ডিনস্ কমিটি ২১ মে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, ২২ মে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের, ২৭ মে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের, ২৮ মে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগ পরিবর্তনের সমন্বিত ‘ঘ’ ইউনিটের এবং ৫ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করেছে।

সকাল ১১ টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে এমসিকিউ ৫০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, টিবিএস


গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) ভর্তি পরীক্ষা নেবে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা (বাণিজ্য) বিভাগের জন্য আলাদা তিনটি পরীক্ষা হবে। বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আগের মতো আলাদা পরীক্ষা হবে না।

১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির এক সভায় শনিবার এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মীজানুর রহমান এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ (জবি) সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধু ২০১৯ ও ২০২০ সালের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। তিনি বলেন, পরীক্ষায় পাস-ফেল থাকছে না, শূন্য থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের তালিকা দেয়া হবে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি করতে পারবে।

জবি ভিসি আরও বলেন, নিজ নিজ বিভাগ থেকে পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেক্ষেত্রে আসন নির্ধারণ করে রাখবে। যেমন বাংলা বিভাগে ১০০ আসন থাকলে তার মধ্যে মানবিকের জন্য ৮০, বাণিজ্য ১০ ও বিজ্ঞানের জন্য ১০টি আসন থাকে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম নম্বর নির্ধারণ থাকতে পারে।

আবেদন যোগ্যতা হিসেবে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসিতে মোট পয়েন্ট ৬, বাণিজ্যে ৬.৫ এবং বিজ্ঞানে ৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। সব ক্ষেত্রেই উভয় পরীক্ষায় ৩ পয়েন্টের কম থাকতে পারবে না।

পরীক্ষার মানবণ্টনে, মানবিক শিক্ষার্থীদের বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাণিজ্যে অ্যাকাউন্টিং ২৫, বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড মেনেজম্যান্ট ২৫, ভাষা জ্ঞান ২৫, বাংলা ১৩, ইংরেজি ১২ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভাষা ২০, বাংলা ১০, ইংরেজি ১০, রসায়ন ২০, পদার্থ ২০, আইসিটি/ম্যাথ/বায়োলজি এ তিনটি থেকে যে কোনো দুটিতে ২০ করে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দেবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর চলতি বছর নতুন করে যে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হল- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

২০ ডিসেম্বর ২০২০, যুগান্তর


লিখিত নয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে এমসিকিউতে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা কেবল এমসিকিউ প্রশ্ন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। এবার থাকবে না লিখিত পরীক্ষা। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।

মঙ্গলবার সকালে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে উপাচার্য এম আবদুস সোবহানের সভাপতিত্বে ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত উপকমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। সহ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের ভর্তি পরীক্ষা গতবারের মতো এমসিকিউ ও লিখিত উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে না। এবার ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সশরীর উপস্থিতিতে শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ ছাড়া কেবল ২০২০ সালে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। ফলে দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ থাকছে না।

১৫ ডিসেম্বর ২০২০; ক্যাম্পাস টাইমস


ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় নম্বর বণ্টন

দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে এবার স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে এবার ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

গত ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন’স কমিটির সভার এই সিদ্ধান্তকে আজ সোমবার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটি। তবে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন নিয়ে আজকের সভায় ভিন্ন সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল থেকে ২০ এবং মূল পরীক্ষার লিখিত ও বহুনির্বাচনী উভয় অংশে ৪০ নম্বর থাকবে।

সভায় অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ডিন’স কমিটিতে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোই পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটি অনুমোদন করেছে। তবে এই সভা থেকে পরীক্ষার মানবণ্টনের বিষয়ে ভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। ডিন’স কমিটি বলেছিল, ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের; এখানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল থেকে ২০ এবং মূল পরীক্ষার লিখিত অংশে ৫০ ও বহুনির্বাচনী অংশে ৩০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটির সভায় লিখিত ও বহুনির্বাচনী উভয় অংশে ৪০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষাগুলো হবে বিভাগীয় শহরে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদও জানান, এবারের ভর্তি পরীক্ষা দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে হচ্ছে—এটি চূড়ান্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তরের সময় নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুষদগুলোর ডিনরা এগুলো নির্ধারণ করবেন বলে জানালেন সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল।

২৩ নভেম্বর ২০২০, প্রথম আলো


এইচএসসি ফলের আগে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিষেধ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু না করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিষেধ করা হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও রেজিস্ট্রার বরাবর এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরে এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ পূর্বক শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরুর জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল অদ্যবধি প্রকাশিত হয়নি। তথাপি কমিশন অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পূর্বেই শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম/শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে। নিয়মানুযায়ী, একজন শিক্ষার্থীকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.০০ থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ নূন্যতম ৬.০০ থাকতে হবে।

সে অনুসারে, ২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনো সুযোগ নেই বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছে ইউজিসি।

যুগান্তর, ১১ নভেম্বর ২০২০


গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে না ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। এবছর পূর্বের প্রচলিত লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির ১ম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় কমিটির সভাপতি ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম সভাপতিত্বে, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, প্রভোস্টবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভাগসমূহের মতামত উপস্থাপন করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে এবছর পূর্বের প্রচলিত নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সভা করে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত এবং পরীক্ষা গ্রহণের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৩৩ বিভাগের মধ্যে শুধু বাংলা বিভাগ ব্যাতীত অন্য সকল বিভাগ পক্ষে মতামত দেয়।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেবেনা বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে অংশ নেবে বলে জানা যায়।

০৯ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)


আগামী বছর থেকে ‘ঘ’ ও ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট এবং চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক বৈঠক শেষে এ কথা জানান উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান।

‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ ইউনিটের সঙ্গেই ওই দুই ইউনিটের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই সমন্বিত পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি এখনো।

তবে, চলতি শিক্ষাবর্ষের (২০২০-২১) ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: টিবিএস, 08 November, 2020

৮ বিভাগীয় কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

‘ভর্তি পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। এরমধ্যে ৮০ নম্বর রাখা হবে এমসিকিউ (৩০) ও লিখিত (৫০) পরীক্ষার জন্য। বাকি ২০ নম্বরের জন্য বিবেচনা করা হবে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের গড়।’

এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা দেশজুড়ে আটটি বিভাগীয় কেন্দ্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিনস কমিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল মঙ্গলবার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিনস কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এ বছর অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেবে না এই বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ডিন কমিটি সুপারিশ জানিয়েছে। এবার সেই সুপারিশ চূড়ান্ত করবে জেনারেল অ্যাডমিশন টেস্ট কমিটি।’

সায়েন্স ফ্যাকাল্টি ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। এরমধ্যে ৮০ নম্বর রাখা হবে এমসিকিউ (৩০) ও লিখিত (৫০) পরীক্ষার জন্য। বাকি ২০ নম্বরের জন্য বিবেচনা করা হবে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের গড়।’

এর আগে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোর উপাচার্যদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ (বিবিপি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় গত শনিবার।

সেদিন উপাচার্যদের এক ভার্চুয়াল সভায় ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে অভিমত দেন বেশিরভাগ উপাচার্য।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সেই সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) জমা দেওয়া হবে বলে জানায় সংগঠনটি।

দেশে বর্তমানে ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির আসন সংখ্যা ৬০ হাজার। তবে এই প্রথম কোনো পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসিতে শতভাগ পাশের নজির দেখতে যাচ্ছে দেশ।

১৩ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সবাইকেই যেহেতু পাস দেখানো হবে, তাই এদের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

উৎস: টিবিএস20 October, 2020
ঘোষণা

আপনিও লিখুন


প্রিয় পাঠক, আপনিও লিখতে পারেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্সে। শিক্ষা, ক্যারিয়ার বা পেশা সম্পর্কে যে কোনো লেখা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন। পাঠাতে পারেন অনুবাদ লেখাও। তবে সেক্ষেত্রে মূল উৎসটি অবশ্যই উল্লেখ করুন লেখার শেষে। লেখা পাঠাতে পারেন ইমেইলে অথবা ফেসবুক ইনবক্সে। ইমেইল : [email protected]
Previous articleফাইনম্যান কৌশল : সহজে শেখার সেরা উপায়
Next articleএনআরবিসি ব্যাংকে চাকরি তথ্য জেনে নিন
Avatar
গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটাতে। থাকেন ঢাকার সাভারে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে- সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স । পরে এলএলবি করেছেন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর লেখালেখি মূলত: ক্যারিয়ার বিষয়ে। তারই সূত্র ধরে সম্পাদনা ও প্রকাশ করছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স নামে এই ম্যাগাজিনটি। এছাড়া জিটিএফসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কর্মরত। ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা, ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন এবং পাবলিক লেকচারের প্রতি আগ্রহ তাঁর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here