বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সব তথ্য

0
55
ভর্তি

ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স ডেস্ক : ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও জগন্নাথসহ দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও সংবাদ প্রকাশ  হবে এখানে। আপডেট থাকতে পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় নম্বর বণ্টন

দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে এবার স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে এবার ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

গত ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন’স কমিটির সভার এই সিদ্ধান্তকে আজ সোমবার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটি। তবে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন নিয়ে আজকের সভায় ভিন্ন সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল থেকে ২০ এবং মূল পরীক্ষার লিখিত ও বহুনির্বাচনী উভয় অংশে ৪০ নম্বর থাকবে।

সভায় অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ডিন’স কমিটিতে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোই পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটি অনুমোদন করেছে। তবে এই সভা থেকে পরীক্ষার মানবণ্টনের বিষয়ে ভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। ডিন’স কমিটি বলেছিল, ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের; এখানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল থেকে ২০ এবং মূল পরীক্ষার লিখিত অংশে ৫০ ও বহুনির্বাচনী অংশে ৩০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটির সভায় লিখিত ও বহুনির্বাচনী উভয় অংশে ৪০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষাগুলো হবে বিভাগীয় শহরে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদও জানান, এবারের ভর্তি পরীক্ষা দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে হচ্ছে—এটি চূড়ান্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তরের সময় নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুষদগুলোর ডিনরা এগুলো নির্ধারণ করবেন বলে জানালেন সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল।

আরো পড়ুন :  বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতি

২৩ নভেম্বর ২০২০, প্রথম আলো


এইচএসসি ফলের আগে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিষেধ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু না করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিষেধ করা হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও রেজিস্ট্রার বরাবর এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরে এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ পূর্বক শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরুর জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল অদ্যবধি প্রকাশিত হয়নি। তথাপি কমিশন অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পূর্বেই শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম/শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে। নিয়মানুযায়ী, একজন শিক্ষার্থীকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.০০ থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ নূন্যতম ৬.০০ থাকতে হবে।

সে অনুসারে, ২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির কোনো সুযোগ নেই বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছে ইউজিসি।

যুগান্তর, ১১ নভেম্বর ২০২০


গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে না ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। এবছর পূর্বের প্রচলিত লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির ১ম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আরো পড়ুন :  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতথ্য

সভায় কমিটির সভাপতি ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম সভাপতিত্বে, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, প্রভোস্টবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভাগসমূহের মতামত উপস্থাপন করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে এবছর পূর্বের প্রচলিত নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সভা করে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত এবং পরীক্ষা গ্রহণের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৩৩ বিভাগের মধ্যে শুধু বাংলা বিভাগ ব্যাতীত অন্য সকল বিভাগ পক্ষে মতামত দেয়।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেবেনা বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে অংশ নেবে বলে জানা যায়।

০৯ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)


আগামী বছর থেকে ‘ঘ’ ও ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট এবং চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক বৈঠক শেষে এ কথা জানান উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান।

‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ ইউনিটের সঙ্গেই ওই দুই ইউনিটের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই সমন্বিত পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি এখনো।

তবে, চলতি শিক্ষাবর্ষের (২০২০-২১) ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: টিবিএস, 08 November, 2020

৮ বিভাগীয় কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

‘ভর্তি পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। এরমধ্যে ৮০ নম্বর রাখা হবে এমসিকিউ (৩০) ও লিখিত (৫০) পরীক্ষার জন্য। বাকি ২০ নম্বরের জন্য বিবেচনা করা হবে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের গড়।’

আরো পড়ুন :  ২০১৮ সালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ

এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা দেশজুড়ে আটটি বিভাগীয় কেন্দ্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিনস কমিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল মঙ্গলবার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিনস কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এ বছর অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেবে না এই বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ডিন কমিটি সুপারিশ জানিয়েছে। এবার সেই সুপারিশ চূড়ান্ত করবে জেনারেল অ্যাডমিশন টেস্ট কমিটি।’

সায়েন্স ফ্যাকাল্টি ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। এরমধ্যে ৮০ নম্বর রাখা হবে এমসিকিউ (৩০) ও লিখিত (৫০) পরীক্ষার জন্য। বাকি ২০ নম্বরের জন্য বিবেচনা করা হবে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের গড়।’

এর আগে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোর উপাচার্যদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ (বিবিপি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় গত শনিবার।

সেদিন উপাচার্যদের এক ভার্চুয়াল সভায় ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে অভিমত দেন বেশিরভাগ উপাচার্য।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সেই সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) জমা দেওয়া হবে বলে জানায় সংগঠনটি।

দেশে বর্তমানে ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির আসন সংখ্যা ৬০ হাজার। তবে এই প্রথম কোনো পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসিতে শতভাগ পাশের নজির দেখতে যাচ্ছে দেশ।

১৩ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সবাইকেই যেহেতু পাস দেখানো হবে, তাই এদের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

উৎস: টিবিএস20 October, 2020

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here