রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান বা সংস্কৃত বিভাগে পড়ে কী চাকরি পাব?

প্রশ্ন: আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক পড়ছি। ভবিষ্যতে কী করব?

উত্তর: বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এখন রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করলে একজন শিক্ষার্থীর জন্য বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব। এ ছাড়া বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ আছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একজন শিক্ষার্থী তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে গবেষণা নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন এনজিওতে তাদের চাহিদা থাকে। এ ছাড়া দেশের বাইরেও কাজ করার সুযোগ আছে।

পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন।


প্রশ্ন: আমি মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। এ বিষয়ে কী ধরনের চাকরি পাওয়া যাবে?
উত্তর: আগে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে তেমন চাহিদা না থাকলেও বর্তমান এর চাহিদা বাড়ছে। এখন মানুষ বিভিন্ন পরামর্শের জন্য মনোবিজ্ঞানীদের কাছে ছুটছে। দেশে এখন প্রায় প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করছে। ফলে সাধারণ অন্যান্য সুযোগের বাইরে এসব হাসপাতাল ক্লিনিকে রোগীদের মনোরোগের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে ভালো উপার্জন করা সম্ভব।

পরামর্শ দিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

সংস্কৃত
প্রশ্ন: আমি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃতে অনার্স পড়ছি। পরে কী করব?
আশরাফ, রাজশাহী।
উত্তর: দেশে এখন প্রতিটি স্কুল ও কলেজে এই বিষয়টি চালু রয়েছে। তাই এসব স্কুল বা কলেজে সংস্কৃত বিষয়ের ছেলে-মেয়েদের চাহিদা আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রত্নতত্ত্ব প্রতিষ্ঠানে ও জাদুঘরে গবেষণার কাজ করার সুযোগ আছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকিং খাতেও এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া বিসিএস ও পিএসসির যেকোনো পরীক্ষায় ভালো করা যায়।

পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. অসীম সরকার।

About সম্পাদক

মো: বাকীবিল্লাহ। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটাতে। থাকেন ঢাকার মতিঝিলে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে -- সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স । পরে এলএলবি করেছেন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর লেখালেখি মূলত: ক্যারিয়ার বিষয়ে। তারই সূত্র ধরে সম্পাদনা করছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স নামে এই ম্যাগাজিনটি। এছাড়া জিটিএফসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কর্মরত।

View all posts by সম্পাদক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *