কমন সেন্সের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা | কমন সেন্স প্রতিদিন : পর্ব ২

আমরা কথায় কথায় বলি- লোকটার কমনসেন্স নেই। না হয় এ ধরনের কাজ তিনি কিভাবে করলেন? কমনসেন্সের অভাবে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যা তৈরি হয়। অথচ কমনসেন্স থাকলে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যায়। কমন সেন্স নিয়ে আমাদের সিরিজ আলোচনা ‘কমন সেন্স প্রতিদিন’। আলোচনা করেছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স সম্পাদক মো. বাকীবিল্লাহ। আজ ২য় পর্ব।

কমন সেন্স আসলে কী? কমন সেন্স শব্দটি ইংরেজি। এর বাংলা অর্থ আক্কেল বা কাণ্ড-জ্ঞান। উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে- Common sense is sound practical judgment concerning everyday matters, or a basic ability to perceive, understand, and judge that is shared by (“common to”) nearly all people. অর্থ্যাৎ, কমনসেন্স হচ্ছে- দৈনন্দিন বিষয়ে প্রজ্ঞাপূর্ণ বাস্তব বিচারবুদ্ধি। অথবা কোনো বিষয় সম্পর্কে প্রায় সব মানুষের বিচারবোধ।

কমনসেন্স হচ্ছে- বাস্তবজীবনে সিদ্ধান্ত নেয়ার একটি অবস্থা এবং কোনো কাজ করলে তার পরিণতি কী হতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা করতে পারার সক্ষমতা। “Common sense in an uncommon degree is what the world calls wisdom.” -Samuel Taylor Coleridge

কমন সেন্সের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। প্রথমত, এটা আমাদেরকে অযৌক্তিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখে এবং আমরা কখন কী করব সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়াটা সহজ করে দেয়।

দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে আপনি অন্যের চাওয়া সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন। যেহেতু মানুষ সামাজিক জীব, সেহেতু সমাজের অন্য ব্যক্তিবর্গের চাহিদা বা চাওয়া-পাওয়া সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন থাকা দরকার।

তৃতীয়ত, কমসেন্স হচ্ছে সবকিছুর ভিত্তি। আপনার যদি কমন সেন্স না থাকে তাহলে আপনার শিক্ষা-দীক্ষা বা দক্ষতার কোনো মূল্য নেই। আপনার জীবনটা হবে জঙ্গলের জীব-জানোয়ারদের মতোই।

চতুর্থত, কমনসেন্স থাকলে সব কাজ সহজ হয়ে যায়। কোনো কর্মীর কমনসেন্স ঘাটতি থাকলে এর প্রভাব পড়ে পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর। কর্মীর পর্যাপ্ত কমনসেন্স থাকলে তাকে পরিচালনা করা সহজ হয়। তারা পুরো টিমকে সুন্দরভাবে সাপোর্ট দিতে পারে।

About সম্পাদক

মো: বাকীবিল্লাহ। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটাতে। থাকেন ঢাকার সাভারে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে -- সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স । পরে এলএলবি করেছেন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর লেখালেখি মূলত: ক্যারিয়ার বিষয়ে। তারই সূত্র ধরে সম্পাদনা ও প্রকাশ করছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স নামে এই ম্যাগাজিনটি। এছাড়া জিটিএফসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কর্মরত। ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা, ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন এবং পাবলিক লেকচারের প্রতি আগ্রহ তাঁর।

View all posts by সম্পাদক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *