বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ৫ চাকরি

কোন চাকরি সবচেয়ে বেশি আনন্দের? কেবল ভালো বেতন কি চাকরিতে আনন্দের মূল উৎস? গার্ডিয়ানের জরিপে উঠে এসেছে, এমন পাঁচটি চাকরির কথা। যেগুলো সবচেয়ে আনন্দদায়ক৷ আসুন জেনে নিই সেগুলো।

১. টেকনিক্যাল ডিজাইন মেকার
শিল্পকারখানায় কোনো সমস্যা সমাধানে নতুন নকশার প্রস্তাব দেয়া এবং আপনার নকশাটা মনোনীত ও বিক্রি হওয়া- স্টুয়ার্ট বেরি’র মতে এ কাজটা তাকে আনন্দ দেয়৷ আইডিয়া খোঁজার মধ্যে নিজের স্বাধীনতা আছে এবং নিত্যনতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা যায়, ফলে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা যায়৷

২. শিক্ষকতা
কোন কাজটা আপনাকে আনন্দ দেয়? কারিনা থম্পসনকে এ প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বেশিরভাগ শিক্ষক বলেছেন, পড়ানোর সময় শিক্ষার্থীর চোখে যে দীপ্তি দেখা যায় সেই মুহূর্তটা সবচেয়ে আনন্দের৷ এছাড়া তিনি বলেন, ‘‘শিশুদের সাথে কাজ করার সময় নিজেকে সবসময় তরুণ মনে হয়৷ পুরো দিনটা হাসিতে ভরা থাকে৷ সেই সাথে বিচিত্র ও সৃজনশীল কাজ করা হয়৷’’

৩. হাসপাতালের নার্স
জোয়ানে উপটন রোগীদের সেবা করায় আনন্দ খুঁজে পান৷ যুক্তরাজ্যের ক্ল্যাটারব্রিজ ক্যানসার সেন্টারে কাজ করেন তিনি৷ তার মূল কাজ ত্বক ক্যান্সারের রোগীদের সেবা করা৷ ‘‘প্রতিদিন চমৎকার সব মানুষের সাথে দেখা হয় আমার৷ তারা আমাকে সবসময় ইতিবাচক অনুপ্রেরণা দেন৷’’

৪. চিকিৎসক
অধ্যাপক ডেভিড গেরি লন্ডনের মোরফিল্ডস চক্ষু হাসপাতালের সার্জন৷ তিনি বলেন, ‘‘অস্ত্রোপচারের পর কোনো মানুষ যখন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায় এর চেয়ে তৃপ্তির কিছু হতে পারে না৷’’

৫. মালি
বাগানের একজন মালির আয় খুব একটা বেশি নয়৷ কিন্তু সেখানে কাজ করার ক্ষেত্রে নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে৷ ঘরের বাইরে প্রকৃতির মাঝে কাজ করা এবং ঋতুর পরিবর্তন দেখার আনন্দ রয়েছে- এমনটাই মনে করেন ইংল্যান্ডের পার্ক থেরাপি বাগানের মালি সুসি আটারবারি৷

সূত্র : ডিডাব্লিউ

About সম্পাদক

মো: বাকীবিল্লাহ। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটাতে। থাকেন ঢাকার সাভারে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে -- সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স । পরে এলএলবি করেছেন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর লেখালেখি মূলত: ক্যারিয়ার বিষয়ে। তারই সূত্র ধরে সম্পাদনা ও প্রকাশ করছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স নামে এই ম্যাগাজিনটি। এছাড়া জিটিএফসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কর্মরত। ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা, ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন এবং পাবলিক লেকচারের প্রতি আগ্রহ তাঁর।

View all posts by সম্পাদক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *