অষ্টম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদনের নিয়ম

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে সরকারি বা আধাসরকারি বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য আবেদন করা যায় না। এ বছর শুরু হয়েছে অষ্টম নিবন্ধন পরীক্ষার কার্যক্রম। চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে ৩১ আগস্ট ২০১২, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। আর কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা হবে ১ সেপ্টেম্বর ২০১২, সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পাঁচ বছরের জন্য নিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে। নিবন্ধনে আবেদনের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভিন্ন ভিন্ন যোগ্যতা প্রয়োজন হবে।

আবেদন পদ্ধতি
আগ্রহীরা ৩১ মে ২০১২ তারিখ পর্যন্ত ntrca.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন। এরপর একটি ইনভয়েস নম্বর দেওয়া হবে। এই ইনভয়েস নম্বর দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ৩৫০ টাকা প্রদান করতে হবে। এরপর প্রার্থীকে ইনভয়েস নম্বর, পাসওয়ার্ডের সিরিয়াল নম্বর ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে প্রার্থী ওপরের ওয়েবসাইটে ঢুকে ইনভয়েস নাম্বার ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থানের নামসহ পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্রের একটি প্রিন্টকপি পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনের সহায়ক হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া সিরিয়াল নম্বরটি প্রিন্ট কপির নির্ধারিত স্থানে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

কী কী কাগজপত্র লাগবে?
অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণের সময় প্রার্থীর স্বাক্ষর এবং নীল ব্যাকগ্রাউন্ডযুক্ত রঙিন ছবি স্ক্যান করে আবেদনপত্রের নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে। এরপর অনলাইন আবেদনপত্র প্রিন্ট করে এর সঙ্গে সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, মার্কশিট, প্রশিক্ষণ সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং নাগরিকত্ব সনদের সত্যায়িত অনুলিপি যুক্ত করে স্কুল পর্যায়ের প্রার্থীরা হলুদ খামে এবং কলেজ পর্যায়ের প্রার্থীরা খাকি খামে ভরে আগামী ১৪ জুনের মধ্যে নিম্নের ঠিকানায় সরাসরি বা ডাকযোগে পৌঁছাতে হবে।
আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা-
সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন), এনটিআরসিএ
নায়েম একাডেমিক ভবন (ষষ্ঠ তলা), ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।

অযোগ্যতা
* অনলাইন আবেদনপত্রে পূরণকৃত সব তথ্যের শুদ্ধতা শতভাগ নিশ্চিত হতে হবে। অন্যথায় প্রার্থীর আবেদন বাতিল হবে।
* মোবাইলের মাধ্যমে টাকা জমা ব্যতীত শুধু হার্ডকপির মাধ্যমে আবেদন প্রেরণ করলে তা বাতিল হবে।
* নির্ধারিত তারিখের মধ্যে আবেদনপত্রের হার্ডকপি এনটিআরসিএর দপ্তরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর বাতিল বলে গণ্য হবে।
* যদি কোনো প্রার্থী বাংলাদেশের নাগরিক না হন কিংবা বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করেন বা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন কিংবা কোনো ফৌজদারি আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হন অথবা কোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চাকরি হতে না হলে আবেদনের অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

পরীক্ষা পদ্ধতি
স্কুল এবং কলেজ উভয় পর্যায়েই ১০০ নম্বরের আবশ্যিক এবং ১০০ নম্বরের ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষার পর ১৫ মিনিট বিরতি থাকবে। এরপর শুরু হবে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা। আবশ্যিক বিষয়ের ১০০ নম্বর এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০টি প্রশ্নের জন্য সময় ১ ঘণ্টা এবং ঐচ্ছিক বিষয়ের ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার জন্য সময় ৩ ঘণ্টা। আবশ্যিক বিষয়ের এমসিকিউ প্রশ্নের প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা হবে।

জেনে রাখুন
* ইতিপূর্বে অন্য কোনো বিষয়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী যোগ্যতা সাপেক্ষে অষ্টম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
* প্রার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্র, পরীক্ষার বিষয় কিংবা আবেদনপত্রে পূরণকৃত কোনো তথ্য যা প্রার্থী পূরণ করবেন তাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং কোনো পরিবর্তন বা সংশোধনের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
* প্রার্থীর আবেদনপত্রের সব তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
* প্রার্থী আবেদনপত্রে পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে যে জেলার নাম উল্লেখ করবেন সে জেলার পরীক্ষা কেন্দ্রে তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
* পরীক্ষা এবং সিলেবাস-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য www.ntrca.gov.bd অথবা ntrca.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটগুলোতে পাওয়া যাবে।

ঘোষণা

আপনিও লিখুন


প্রিয় পাঠক, আপনিও লিখতে পারেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্সে। শিক্ষা, ক্যারিয়ার বা পেশা সম্পর্কে যে কোনো লেখা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন। পাঠাতে পারেন অনুবাদ লেখাও। তবে সেক্ষেত্রে মূল উৎসটি অবশ্যই উল্লেখ করুন লেখার শেষে। লেখা পাঠাতে পারেন ইমেইলে অথবা ফেসবুক ইনবক্সে। ইমেইল : [email protected]
Previous articleকাজের চাপ কমানোর ২০ তরিকা
Next articleক্যারিয়ার বিষয়ে লিখে পুরস্কার জিতুন
শিক্ষা ও ক্যারিয়ার বিষয়ক একটি ম্যাগাজিন হিসেবে ২০১১ সালের জুলাইয়ে যাত্রা শুরু করে ’ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স‘। পরপর চারটি সংখ্যা কাগজে বের হয় এ প্রকাশনাটি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ধারাবাহিকতা রক্ষা সম্ভব হয়নি। শুরু থেকেই অনলাইন ভার্সন ছিল ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্সের। সেটির মাধ্যমেই বেঁচে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালে এটিকে একটি প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে চালু করার চেষ্টা করি। বর্তমানে ক্যারিয়ার সহায়ক বিভিন্ন বই প্রকাশ করছি। এছাড়া প্রকাশনার কাজে সব ধরনের সেবা দিচ্ছি। অামরা মূলত ৫টি বিভাগে কাজ করছি। ১. মুদ্রণ ও অনলাইন প্রকাশনা ২. সম্পাদনা ও প্রুফ রিডিং ৩. ক্রিয়েটিভ ডিজাইন ৪. ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ৫. দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

3 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here