পেশা যখন ডেন্টাল সার্জন

3
234 বার পঠিত

মাহবুব আলম মুরাদ
সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটি পেশা হচ্ছে ডেন্টাল সার্জন। দাতের চিকিৎসা যিনি করেন সাধারণত তিনি ডেন্টিস্ট হিসেবে পরিচিত। দেশে ও বিদেশে  ডেন্টিস্টদের চাহিদা এবং কাজের সুযোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে যে কেউ ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে অল্প সময়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

পরিকল্পনা
একজন সফল ডেন্টিস্ট বা ডেন্টাল সার্জন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে নবম শ্রেণীতেই পরিকল্পনা করা দরকার। আর সে অনুযায়ী এসএসসি ও এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ নিতে হবে। যারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ইতোমধ্যেই পাস করেছেন তারা এখনো চাইলে এ বিষয়ে পড়তে পারেন।  তবে জীব বিজ্ঞান বিষয়টি উভয় পরীক্ষায় থাকা বাধ্যতামূলক।

কোথায় পড়বেন?
বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত যেসব ডেন্টাল মেডিকেল কলেজ আছে আপনি ইচ্ছা করলে সেসব প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে পারেন। এ সব প্রতিষ্ঠান সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বর্তমানে সরকারি ডেন্টাল কলেজের সংখা ৩টি।  এছাড়া সারাদেশে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু বেসরকারি কলেজ ও হাসপাতাল।  নিচে কয়েকটির ঠিকানা দেয়া হলো-
বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল
রোড : ১৪/এ (নতুন)
বাড়ি : ৩৩/৩৫
ধানমণ্ডি, ঢাকা
ফোন : ৯১১৮২০২, ৯১২০৭৯২, ৮১১৫৮৪
ওয়েবসাইট : www.bmc-bd.org
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল
মিরপুর- ১৪, ঢাকা-১২২১
ফোন : ৯০০২০৩৫, ৮০১৭১৪৬
পাইওনার ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল
১১১, মালিবাগ
ডিআইটি রোড, ঢাকা
ফোন: ৯৩৪০২০৩-৪
ইউনির্ভাসিটি ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল
১২০, আউট সার্কুলার রোড
মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
ফোন: ৯৩৫০৫৭৫, ৯৩৩৭৪৭১

শিক্ষা পদ্ধতি
আপনি যদি ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ৪ বছর মেয়াদী বিডিএস কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। সাথে শেষ করতে হবে ১ বছর মেয়াদী ইন্টার্নশিপ। সবচেয়ে ভালো হয় কোর্স সম্পন্ন করার পর একজন অভিজ্ঞ সার্জনের তত্ত্বাবধানে ২/৩ বছর চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
তাছাড়া বাংলাদেশে বিডিএস-এর পাশাপাশি বিডিএ (ব্যাচেলর অব ডেন্টাল অ্যাসিসট্যান্ট) হিসেবে এক বছরের কোর্স করার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে আপনি এসএসসি পাস করে এই কোর্স করতে পারবেন। কোর্স সম্পন্ন করলে আপনি পাবেন একজন দক্ষ ডেন্টিস্টের সহযোগী হয়ে কাজ করার সুবিধা।

উচ্চতর প্রশিক্ষণ
বিডিএস পাশ করার পর একজন ডেন্টাল সার্জন বাংলাদেশেই উচ্চতর প্রশিক্ষণ পিজিটি অর্জন করতে পারে। বাংলাদেশে ৬ মাস এবং ১ বছর মেয়াদী পিজিটি কোর্স করানো হয়। সেই সাথে অধিকতর প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে উন্নত বিশ্বের যে কোনো দেশে সুযোগ পেয়ে থাকেন।

চেম্বার স্থাপন
বিডিএস পাশ করে আপনি নিজ উদ্যোগে চেম্বার স্থাপনের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। একটি চেম্বার স্থাপন করতে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকার প্রয়োজন হতে পারে। কেননা এখানকার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিগুলো বেশ দামী।

3 COMMENTS

  1. Baiya, I felt so much happy when I saw my writing in my favorite magazine the career intelligence. Then I realize to write again in another topic. Now u can suggest me on which topic I can write. Thanks a lot.
    Yours
    Mahbub Alam Murad

    • ধন্যবাদ। আপনি ম্যাগাজিনের সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোনো বিষয়ে লিখতে পারেন। আপনার আগ্রহের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here