পরিসংখ্যান ও প্রাণরসায়নে পড়ে কী চাকরি পাব?

প্রশ্ন: আমি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান নিয়ে পড়ছি। এ বিষয়ে পড়ে আমি কী ধরনের চাকরি পেতে পারি?

উত্তর: বর্তমানে পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে পাস করে চাকরি পাওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। এ বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের চাকরির ক্ষেত্রটা দিন দিন বড় হচ্ছে। আমাদের দেশে যত সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান আছে, সেখানে তাঁরা সহজেই চাকরি পেয়ে থাকেন। সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পান দেশের সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এখানে তাঁরা গবেষক হিসেবে কাজ করার ভালো সুযোগ পান। তা ছাড়া বিভিন্ন এনজিওতে এ বিভাগের ডিগ্রিধারীরা ভালো বেতনে চাকরি পাচ্ছেন। অনেকে আবার সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হচ্ছেন। যুক্তরাজ্য, আমেরিকা, কানাডাসহ দেশের বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এ বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ভালো বেতনে কাজ করছেন।

[পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান]

প্রশ্ন: আমি প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক করছি। এ বিষয়ে পড়ে কী ধরনের চাকরি পাওয়া যাবে?

উত্তর: বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ বিভাগের ছেলেমেয়েদের আগের তুলনায় চাহিদা বাড়ছে। এ বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা সায়েন্স ল্যাবরেটরি, আণবিক শক্তি কমিশন, ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি গবেষণা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পান। এ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউটেও এই বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের দরকার হয়। এখানেও তাঁরা ভালো বেতনে চাকরির সুযোগ পেয়ে থাকেন। দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোতেও তাঁরা এখন চাকরি করছেন। এসব কোম্পানিতে ওষুধ বাজারজাতকরণের কাজেও অনেকে কাজ করছেন। এ ছাড়া বর্তমানে গবেষণার পরিধি বাড়ছে। এ বিভাগের ছেলেমেয়েরা গবেষণার কাজেও নিয়োজিত হচ্ছেন।

[পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক]

About সম্পাদক

মো: বাকীবিল্লাহ। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটাতে। থাকেন ঢাকার মতিঝিলে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে -- সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স । পরে এলএলবি করেছেন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর লেখালেখি মূলত: ক্যারিয়ার বিষয়ে। তারই সূত্র ধরে সম্পাদনা করছেন ক্যারিয়ার ইনটেলিজেন্স নামে এই ম্যাগাজিনটি। এছাড়া জিটিএফসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কর্মরত।

View all posts by সম্পাদক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *